সোমবার রাত ৯টার দিকে সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট-পাঠানটুলা বাইপাস রোড দিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাচ্ছিলেন খাদিমনগর ইউনিয়নের সালেহপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাহিরের ছেলে কিশোর তাওহিদ (১৬)। হঠাৎ পাঠানটুলার কাছাকাছি রিকশাচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকেপড়েন। এতে তিনি মারাত্মক আহত হন। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। তার পা না ভাঙলেও মারাত্মক জখম হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার চাচাতো ভাই সাংবাদিক মোজাম্মেল হক। তিনি এখনো ওই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন।
ওই দিনই রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর নয়াসড়ক পয়েন্টে এমনি একটা অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে আহত হয়েছেন নগরীর কাজিটুলা এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল হক (৪৫)। তিনিও একটি বেরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
নগরীতে অবৈধ যানবাহন উচ্ছেদে অভিযান এখনো চললেও রাতে অনেকেই ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে বিমান-হেলিকপ্টারের গতিতে যাত্রী নিয়ে ছুটছেন। আর এতে দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত।
এদিকে আবার ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা তাদের রিকশাচলাচলের ওপর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আটক যানবাহন ফেরত এবং বিচ্ছিন্ন চার্জিং গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনসহ ১১ দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নামেন হাজারো শ্রমিক। হাতে লাল কাপড়, মুখে ক্ষোভ নিয়ে দিনভর রাজপথ দখল করে আন্দোলন করেন তারা। এসময় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অচল হয়ে পড়ে নগরীর প্রধান সড়কগুলো। ভোগান্তিতে পড়েন হাজারও মানুষ।
এসময় পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরাও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বললেও কোনো কাজ হয়নি। তারা রাস্তা ছাড়েন নি।